বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১৯ নভেম্বর ২০১৯

খাগড়াছড়ি জেলা

ক. ঐতিহাসিক, প্রত্নতাত্ত্বিক ও স্থাপত্য নিদর্শনঃ

১. মানিকছড়ির রাজবাড়িঃ

রামগড় পেরিয়ে মানিকছড়িতে রয়েছে কয়েকশ বছরের স্মৃতি বিজড়িত মং রাজবাড়ি। রাজা ও রানীর মৃত্যুর পর রাজার দায়িত্ব পালন করছেন পাইলা প্রু চৌধুরী নামের একজন সরকারী মনোনীত ব্যক্তি। রাজবাড়ি পরিদর্শণের জন্য উল্লেখযোগ্য সংখ্যক পর্যটন এখানে ভ্রমণে আসেন।

 

খ. ধর্মীয়ঃ

১. ধর্মপুর আর্য বনবিহারঃ

খাগড়াছড়ি বাস স্ট্যান্ড থেকে এর দূরত্ব ৩ কিলোমিটার বৌদ্ধ মন্দিরে বড় আকারের অমিতাভ মূর্তি ছাড়াও আরও একটি মূর্তি আছে। এই মূর্তিটিকে কুন্ডলী পাকানো একটি বিশাল নাগ ফনা তুলে আগলে আছে। প্রচলিত একটি থিম থেকে এই মূর্তির জম্ম। এর পাশেই আছে ভিক্ষুদের বাস গৃহ, ভোজনশালা আর ধ্যান কোঠা। ধ্যান কক্ষের পাশে মাঠে আকাশ প্রদীপ টাঙ্গানো।

 

গ. প্রাকৃতিকঃ

১. রামগড়ঃ

ঢাকা থেকে সড়ক পথে খাগড়াছড়ি যাওয়ার পথেই রামগড়। ছোট বড় পাহাড়, টিলা, নদী আর সবুজের সমারোহে ভরা রামগড়। শহরের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত রেখার ফেনী নদী, সীমান্তের ও পারেই দেখা যাবে রাবার বাগান। শহরের ৪কিলোমিটার পশ্চিমে রয়েছে চা বাগান। শহর থেকে দূরে পাহাড়ের গায়ে খুদে জনগোষ্ঠীর বসতি। বাঁধের পার গুলোতে লাফালাফি করে বানর আর হনুমানের দল। কখনও বা উকি মারে হরিণ বা ভাল্লুক। রামগড়ে  রয়েছে বিডিআর এর সার্থক জলের ২০৮ বছরের স্মৃতিগুম্ভ।

 

২. আলুটিলা পাহাড়ঃ

মাটিরাঙ্গা আর খাগড়াছড়ি জেলা সদরের প্রায় মাঝামাঝিতে এর অবস্থান। এরূপ শোভামন্ডিত এ নৈসর্গিক সৌন্দর্যের লীলা নিকেতন এই আলুটিলা। আলুটিলার প্রধান আকর্ষন হচ্ছে সুউচ্চ আলুটিলার পাদদেশে বিশাল রহস্যময় সূরঙ্গ। প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট এ সুড়ঙ্গের এক প্রান্ত দিয়ে প্রবেশ করে অপর প্রান্তে বের হওয়া যায়। সুড়ঙ্গটি ১ মিটার চওড়া ও ২ মিটার উচ্চ। সারাক্ষন পানি চুইয়ে পড়ে। বেতরে জমাট গুমোট আধার। সুরঙ্গ পথের দুই ধার পাথরের মত শক্ত আর নীচের অংশ কিছুটা কর্দমাক্ত। ১০০ মিটার দৈর্ঘ বিশিষ্ট সুরঙ্গ সবসময় অন্ধকার থাকার কারণে হাতে জ্বলন্ত মশাল নিয়ে অতিক্রম করতে হয়। আর থাকা চাই সাহস ও মনোবল। পাবর্ত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের উদ্যোগে এখানে দর্শনার্থীর বসার জন্য পাকা বেঞ্চ, পর্যবেক্ষন টাওয়ার ও বিশ্রামের পাকা ছাউনি নির্মাণ করা হয়েছে। প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট হাজার বছরের এই রহস্যময় সুরঙ্গ পথ যেকোন দুঃসাহসিক ভ্রমণকারীদের হাতছানি দেয়। সম্পতি আলুটিলায় আবিস্কৃত হয়েছে আরো আকর্ষনীয় প্রাকৃতিক ঝর্ণা।  


Share with :

Facebook Facebook