বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১st মার্চ ২০২০

ঠাকুরগাঁও জেলা

ক) ঐতিহাসিক, প্রত্নতাত্ত্বিক ও স্থাপত্য নিদর্শন

পর্যটন আকর্ষণের নাম ও বর্ণনা

রাজা টংনাথের রাজবাড়ি (মালদুয়ার):

রানীশংকৈল উপজেলায় কুলিক নদীর তীরে মালদুয়ারের জমিদার রাজা টংনাথের রাজবাড়ি অবস্থিত। টংনাথের পিতা বুদ্ধিনাথ চৌধুরী এই রাজবাড়ি নির্মাণের কাজ শুরু করলেও সমাপ্ত করেন রাজা টংনাথ। উনবিংশ শতাব্দীর শেষভাগে এই রাজবাড়ি নির্মিত হয়।

নেকমরদঃ

ভবান্দপুরে খরস্রোতা কাইচা নদীর তীরে প্রাচীনকালে গড়ে উঠেছিল নেকমরদ জনপদ। নেকমরদ ও এর নিকটবর্তী এলাকায় এখনও দেখতে পাওয়া যায় প্রাচীন ইমারতের ধবংসাবশেষর চিহ্ন। ঐতিহাসিকগণের ধারনা করবৃতন রাজ্যের রাজধানী ছিল এই কেমরদ।

রাজভিটাঃ

পীরগঞ্জ উপজেলার জবারহাট ইউনিয়নের টাঙ্গন নদীর তীরে মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশে  এই রাজবাড়ি অবস্থিত যা স্থানীয়ভাবে রাজভিটা নামে পরিচিত। অনুমান করা হয় এটি শেরশাহের সময় নির্মিত হয়েছিল।

 খ) ধর্মীয়

পর্যটন আকর্ষণের নাম ও বর্ণনা

বালিয়া মসজিদঃ

ঠাকুরগাঁও শহর থেকে ১৫ কিলোমিটার উত্তর-পূর্ব দিকে সদর উপজেলার ছোট বালিয়া এলাকায় ঐতিহ্যবাহী বালিয়া মসজিদ বস্থিত। মসজিদের গায়ে খোদাই করা তারিখ অনুযায়ী এটি তৈরী করা হয় হিজরী ১৩২৭ এবং বাংলা ১৩১৭ সনে। মসজিদটি নির্মাণের জন্য মসজদটির প্রতিষ্ঠাতা মেহের বক্শ দেশের বাহির থেকে স্থপতি নিয়ে আসেন । মসজিদটি চুন সুরকি মর্টার এবং হাতে তৈরী পোড়ানো ইট দিয়ে তৈরী। সংস্কারের প্রয়োজনে এর দেয়ালের কিছু অংশ খোলা হলে  বিষ্ময়ের সাথে লক্ষ্য করা যায় যে দেয়ালের ১১ইঞ্চি ভেতরে একই নকশার আরও একটি দেয়াল রয়েছে। আয়তনের দিক থেকে মসজিদটি পূর্ব-পশ্চিমে ৬২ ফুট ৬ ইঞ্চি এবং উত্তর -দক্ষিণে ৬৯ ফুট । আয়তাকার এই কমপে¬ক্সটি সিড়ি সহ প্রবেপথ, খোলা চত্বর ও মূল ভবন এই তিনটি অংশে বিভক্ত।

জামালপুর জামে মসজিদঃ

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলায় ১৮৬৭ সালে নিমির্ত এই দৃষ্টিনন্দন মসজিদটি অবস্থিত। তিন গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদটির নির্মাণ শৈলী অতি মনোমুগ্ধকর। মসজিদটির ভিতরে দরজায়, বারান্দায় এবং বাহিরের দেয়ালে অতীব মনোরম লতাপাতা ও ফুলের নকশা রয়েছে।

মহালবাড়ি মসজিদঃ

ঠাকুরগাঁও জেলার রাণীশংকৈল উপজেলায় প্রাচীন এই মসজিদ অবন্থিত। মসজিদে প্রাপ্ত শিলালিপি থেকে জানা যায়, ১৫০৫ খ্রীষ্টাব্দে সুলতান হোসেন শাহের আমলে এটি প্রতিষ্ঠিত।

গ) প্রাকৃতিক

পর্যটন আকর্ষণের নাম ও বর্ণনা

সূর্যপুরী আম গাছঃ

ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গী  উপজেলায় ভারত বাংলাদেশ সীমানায় অতিমনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশে ২০০ শত বছরের পুরনো এই আম গাছটি অবস্থিত। এই আম গাছটির শাখা-প্রশাখা প্রায় ২.৫ বিঘা জমির উপর বিস্তৃত। স্থানটি পাখিদের অভয়াশ্রমে পরিণত হয়েছে। এই স্থানটি ঠাকুরগাঁও জেলার অন্যতম পর্যটন আকর্ষণীয় স্থান ।


Share with :

Facebook Facebook