বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১৯ নভেম্বর ২০১৯

চট্টগ্রাম জেলা

ক) ঐতিহাসিক, প্রত্নতাত্ত্বিক ও স্থাপত্য নিদর্শনঃ

১. ২য় বিশ্বযুদ্ধে নিহত সৈনিকদের সমাধি সৌধঃ

গার্সন রোড ও চট্টেশ্বরী রোডের সংযোগস্থলে ওয়ার সিমেট্রি অবস্থিত। এই স্থানে দ্বিতীয় মহাযুদ্ধকালে বার্মাফ্রন্টের যুদ্ধে নিহত সাত শতাধিক ব্রিটেন, অষ্ট্রেলিয়া, কানাডা, নিউজিল্যান্ড প্রভৃতি দেশের সৈনিকদের লাশ সমাহিত করা হয়।

 

২. লালদিঘী ময়দানঃ

মেট্রোপলিটন পুলিশ সদর দপ্তরের পাহাড়ের পাদদেশ থেকে পশ্চিমে পরীর পাহাড়ের পাদদেশ পর্য়ন্ত সমগ্র সমতল ভূমিটি সেকালে মিউনিসিপাল ময়দান নামে অভিহিত হতো। উনবিংশ শতকের শেষার্ধে উত্তর-দক্ষিণ রাস্তাটি নির্মিত হলে মিউনিসিপাল ময়দান দুভাগে বিভক্ত হয়ে যায়। পূর্বাংশ সাধারণের খেলার মাঠে রূপান্তরিত হয়। মুসলিম উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হলে তখন সে মাঠ মুসলিম উচ্চ বিদ্যালয়ের খেলার মাঠে পরিণত হয়। এখন এই মাঠটিই লালদিঘীর ময়দান নামে পরিচিত।

 

 খ) ধর্মীয়ঃ

১. শাহ জালাল (রহঃ) এর মাজারঃ

প্রতিদিন প্রচুর মুরীদ শাহ জালাল (রহঃ) এর মাজার যেয়ারত করেন।

 

২. বায়জীদ বোস্তামীর (রঃ) মাজারঃ

চট্টগাম শহরের নাজিরহাট এলাকায় বায়েজীদ বোস্তামী (রঃ) এর মাজার অবস্থিত। বায়জীদ বোস্তামী (রহঃ) খ্রিষ্টীয় নবম শতকের মধ্যভাগে সিন্ধুদেশ থেকে সমূদ্র পথে চট্টগ্রামে আগমণ করেন ইসলাম প্রচার করার উদ্দেশ্যে। এই স্থানে টিলার উপর মাজার শরীফ এবং পুকুরসহ একটি মসজিদ আছে। মাজার কে কেন্দ্র করে অগনীত ধর্মপ্রান মানুষ এই স্থান ভ্রমন করে থাকেন।

 

৩. শাহ আমানত শাহ (রঃ) মাজারঃ

তিনি ছিলেন চট্টগ্রামের বিখ্যাত দরবেশ। তিনি বিহার থেকে এখানে আসেন বলে জনশ্রুতি আছে। অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষ দিকে তাঁর আবির্ভাব ঘটে বলে মনে হয়। চট্টগ্রামের লাল দিঘীর পূর্ব দিকে এক সমাধিসৌধে তাকে সমাহিত করা হয়।

 

৪. কদম মোবারক মসজিদঃ

চট্টগ্রামের মুসলমান আমলের শাসনকর্তা নবাব এয়াসিন খাঁর স্থাপিত মসজিদে হযরত মোহাম্মদ (সাঃ)  এর কৃত্রিম একজোড়া পাথরে খোদিত কদম মোবারক সংগ্রহ করে মসজিদের পার্শ্ববর্তী কক্ষে স্থাপন করেন। তখন থেকে এই এলাকাটি জনসাধারনের নিকট কদম মোবারক নামে খ্যাত হয়।

 

৫. আন্দরকিল্লা মসজিদঃ

আন্দরকিল্লা টিলার উপর অবস্থিত জামে মসজিদ হলো বন্দর শহর চট্টগ্রামের আদি মসজিদ। ১৬৬৬ খ্রিষ্টাব্দে চট্টগ্রাম মোগল সাম্রাজ্যভুক্ত হওয়ার পর এখানকার প্রথম শাসনকর্তা নিযুক্ত হন চট্টগ্রাম বিজয়ী সেনাপতি বুজর্গ উমেদ খাঁ। তিনি ছিলেন তৎকালীন সুবে বাংলার সুবেদার নবাব শায়েস্তা খাঁর পুত্র। জামে সঙ্গীন মসজিদের শিলালিপি সূত্রে জানা যায় যে, সুবেদার নবাব শায়েস্তা খাঁর আদেশে তৎপুত্র নবাব বুজর্গ উমেদ খাঁ, ১০৭৮ হিজরি/১৬৬৭ খ্রিষ্টাব্দে এই মসজিদখানি নির্মাণ করেন।

 

৬. চন্দ্রনাত মন্দিরঃ

ভূমি হতে প্রায় ১৩৩৫ ফুট উচ্চতায় চনদ্রনাথ মন্দির অবস্থিত।

 

৭. চট্বেশ্বরী দেবী মন্দিরঃ

প্রতিদিন প্রচুর ভক্ত এখানে আগমণ করে পূজা দিয়ে থাকে।

 

৮. মাইজভান্ডারঃ

চট্টগ্রামে কিছু উল্লেখযোগ্য দরগা শরীফের মধ্যে মাইজভান্ডার অন্যতম।

 

গ) সাংস্কৃতিক ও শিক্ষামূলকঃ

১. রেলওয়ে যাদুঘরঃ

চট্টগ্রামের পাহাড়তলী এলাকায় মনোরম পরিবেশে বাংলাদেম রেরওয়ে কর্তৃক পরিচালিত দেশের একমাত্র রেলওয়ে যাদুঘর অবস্থিত। এই যাদুঘরটি পরিদর্শন করলে বাংলাদেশ রেলওয়ের বিস্তৃত ইতিহাস সম্পর্কে জানা যায়।

 

২. এগ্রিকালচার ফার্মঃ

চট্টগ্রামের পাহাড়তলীতে একটি এগ্রিকালচার ফার্ম আছে। এখানে কৃষির উপর বিভিন্ন গবেষণামূলক কাজ করা হয়।

 

৩. বাংলাদেশ মিলিটারী একাডেমীঃ

পাকিস্তান আমলে কুমিল্লার ময়নামতী -তে পূর্ব পাকিস্তান মিলিটারী একাডেমী স্থাপিত হয়েছিল। দেশ স্বাধীন হবার পর তা বাংলাদেশ মিলিটারী একাডেমীতে পরিণত হয়। পরবর্তীতে বাংলাদেশ মিলিটারী একাডেমী চট্টগ্রামের ভাটিয়ারীতে স্থানান্তরিত হয়।

 

৪. জাতিতাত্তিক যাদুঘরঃ

আগ্রাবাদে জাতিতাত্তিক যাদুঘর অবস্থিত।

 

৫. জিয়া স্মৃতি যাদুঘরঃ

ইংরেজ আমলে বঙ্গভঙ্গের পর পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশ গঠিত হলে পল্টন পাহাড়ের পূর্বাংশে চট্টগ্রাম পরিদর্শনকারী লাট সাহেবের অবস্থানের জন্য চট্টগ্রাম সার্কিট হাউস নির্মিত হয়েছিল। ১৯৮১ সালের ৩০ মে তারিখ রাতে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সেনাবাহিনীর একটি বিদ্রোহী গ্রুপের হাতে নিহত হন। এটা পাশ্চাত্য ও চৈনিক শিল্পরীতিতে তৈরী একটি দর্শনীয় ভবন। ১৯৯৩ সালে সার্কিট হাউসে জিয়াস্মৃতি যাদুঘর স্থাপন করা হয়।

 

ঘ) বিনোদনমূলকঃ

১. টাইগার পাসঃ

পাহাড়ি শহর চট্টগ্রামের কয়েকটি রাস্তার সংযোগস্থল টাইগার পাস নামে পরিচিত। এখানকার রাস্তার দু’পাশে উঁচু পাহাড়। উনবিংশ শতকের শেষার্ধেও এসব পাহাড় গভীর বনজঙ্গলে অবৃত ছিল। সেখানে দিনদুপুরে বাঘ চলাফেরা করত এবং মানুষ ও গরু ছাগল মারতো। দিনে-দুপুরের বাঘের গর্জন শোনা যেত। ১৮৬২ সালে চট্টগ্রামে কর্মরত বৃটিশ সিভিলিয়ান ক্লে সাহেব যাওয়ার এক সপ্তাহের মধ্যে দুটি বাঘ মেরে আনা হয় সরকারী পুরস্কারের জন্য। বাঘের উৎপাত থেকেই এই এলাকার নামকরণ করা হয় ‘টাইগার পাস’।

 

২. বাটালী হিলঃ

চট্টগ্রাম শহরের সর্বোচ্চ পাহাড় বাটালী পাহাড়। দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের  সময় এই পাহাড় শীর্ষে বিমান বিধ্বংশী কামান স্থাপন করা হয়েছিল। এই পাহাড় শীর্ষ থেকে বঙ্গোপসাগর পরিষ্কাররুপে দেখা যায়। বর্তমানে ঐ পাহাড়ের দক্ষিণাংশ কেটে ফেলা হয়েছে। ভবিষ্যতে শীর্ষদেশ ধ্বংস হয়ে বাটালী পাহাড়ের উচ্চতা কমে যাবার সম্ভাবনা আছে। বাটালী পাহাড় ২৮০ ফুট উঁচু।

 

ঙ) উৎসব সম্পর্কিতঃ

১. জব্বারের বলী খেলাঃ

চট্টগ্রামে মল্লযুদ্ধ বা কুস্তি প্রতিযোগিতা বলী খেলা নামে পরিচিত। প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী এই লোকক্রীড়াটি কবে শুরু হয়েছিল তার সঠিক ইতিহাস জানা যায় না। অনেকের মতে মুঘল আমলে এ খেলা শুরু হয়েছিল এবং মুসলিম আমলেই ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিল। বিত্তবান ভূস্বমীরা তখন নিরাপত্তা ও আভিজাত্য প্রদর্শনের জন্য বেতনভোগী নামী-দামী কুস্তিগীর রাখতেন। তাদের দৈহিক শক্তির শ্রেষ্ঠত্য নির্ধারিত হতো বলী খেলার মাধ্যমে। বিজয়ীরা বলী (বলবান) হিসেবে নন্দিত হতো। চট্টগ্রামে বর্তমানে যে খেলা প্রচলিত আছে তার প্রবর্তন করেন আব্দুল জব্বার সওদাগর ১৯০৯ সালে। তার লক্ষ্য ছিল ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে দেশের যুব সমাজকে সংগঠিত করা। তার বলী খেলার জনপ্রিয়তা এখনও অক্ষুন্ন রয়েছে।

 

২. মেজবান অনুষ্ঠানঃ

মেজবান চট্টগ্রাম অঞ্চলের একটি সামাজিক অনুষ্ঠান। ফারসি মেজবান শব্দটির অর্থ নিমন্ত্রণ কর্তা, তবে বাংলাদেশে  চট্টগ্রামে ব্যাপকভাবে চালু মেজবান মূলত কোন উপলক্ষকে কেন্দ্র করে আয়েজিত গণভোজের পোষাকি নাম। মেজবান সাধারণত বিত্তবানদের আয়োজিত একটি অনুষ্ঠান। যেসব উপলক্ষে মেজবান আয়োজিত হয় সেগুলির মধ্যে আছে কারও মৃত্যু দিবস পালন, পরিবারে নতুন সন্তানের জন্ম, ঘনিষ্ঠ কোন আত্মীয়ের জন্ম বা মৃত্যু, নতুন গৃহে প্রবেশ ইত্যাদি। বর্তমানে মেজবান প্রথা চট্টগ্রামের ভৌগলিক সীমানায় সীমিত নেই। বাংলাদেশের বেশ কটি বড় বড় শহরে মেজবান প্রথা চালু হয়েছে।

 

চ) নৌ-পর্যটনঃ

১. কর্ণফুলী নদী ও ফয়েস লেক-এ নৌবিহারঃ

কর্ণফুলী নদীর উত্তর-পশ্চিম তীরে চট্টগ্রাম শহর অবস্থিত। কর্ণফুলী নদী ভারতে মিজোরাম প্রদেশের লুসাই পাহাড় থেকে উৎপন্ন হয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম ও চট্টগ্রাম জেলার মধ্য দিয়ে ১৭০ মাইল পথ অতিক্রম করে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।

 

২. ফয়স লেকঃ

ফয়’স লেক মানুষের তৈরী একটি কৃত্রিম লেক। কয়েকটি পাশাপাশি বিচ্ছিন্ন পাহাড়ের ফাঁকে ফাঁকে বাধঁ বেঁধে এই লেক তৈরী করা হয়েছে। ইংরেজ আমলে পাহাড়তলি রেলওয়ে কারখানা এলাকায় পানি সরবরাহ করার জন্য ফয়’স লেকের সৃষ্টি করা হয়েছিল। এই লেকের পরিকল্পনাকারী ছিলেন ‘মিস্টার ফয়’ নামক রেলওয়ের একজন উচ্চপদস্থ কর্মচারী। পরবর্তীকালে ‘ফয়’ সাহেবের নামের স্মারকরুপে এই লেক ফয়’স লেক নামে খ্যাত হয়।

 

ছ) প্রাকৃতিকঃ

১. পাহাড়ঃ

চট্টগ্রাম ও তৎসংলগ্ন অঞ্চল পাহাড় দ্বারা পরিবেষ্টিত। চট্টগ্রাম শহরের অভ্যন্তরে প্রচুর পাহাড় ও টিলা রয়েছে। এ সমস্ত পাহাড় শহরের সৌন্দর্য বহুগুনে বাড়িয়ে দিয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য বাটালি হিল, ডিসি হিল, রেলওয়ের প্রধান কার্যালয় এবং সীতাকুন্ড পাহাড়।

 

২. বনভূমিঃ

চট্টগ্রাম অঞ্চল বনভূমি সমৃদ্ধ। সীতাকুন্ডে বিস্তৃত সংরক্ষিত বনভূমি ও ইকো পার্ক রয়েছে। এ বনভূমি চট্টগ্রামের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে বৃদ্ধি করেছে। বনভূমিতে রয়েছে প্রচুর গাছপালা ও বন্য প্রাণী।

 

৩. লেক, ছড়াঃ

পুরো চট্টগ্রাম অঞ্চলে ছড়িয়ে আছে অসংখ্য লেক, ছড়া। চট্টগ্রাম শহরের ভিতরেই অবস্থিত ফয়েজ লেক। এখানে প্রচুর পর্যটক ভ্রমণ করে থাকে।

 

৪. পতেঙ্গাঃ

কর্ণফুলী ও বঙ্গোপসাগরের সঙ্গমস্থলের ডানদিকে বঙ্গোপসাগরের বেলাভূমিতে প্রমোদ ভ্রমণ কেন্দ্র পতেঙ্গা সমূদ্র সৈকত অবস্থিত। এখানকার সমূদ্র সৈকত ভ্রমণ নগরবাসীর নিকট অত্যন্ত আকর্ষণীয় স্থান। এর অদূরেই চট্টগ্রাম বিমান বন্দর অবস্থিত।

 

৫. ঝাউ বনঃ

চট্টগ্রামে বিদ্যমান বনভূমির পাশাপাশি  বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে রয়েছে ঝাউবন । এই ঝাউবন চট্টগ্রামের প্রাকৃতিক রুপকে করেছে আরো আকর্ষণীয়।

 

৬. পারকী সৈকতঃ

চট্টগ্রামের এই সমূদ্র সৈকতটি এখন পর্যটকদের নিকট অধিক পছন্দ। এক দশক আগেও এখানে পর্যটকদের কোন আনাগোনা ছিল না। এখন প্রতিদিনই অসংখ্য মানুষ এখানে বেড়াতে আসেন। চট্টগ্রাম শহর থেকে মাত্র ১৬-১৭ কিঃমিঃ দূরে আনোয়ারা উপজেলার গহিরায় এই সৈকতটির অবস্থান।

 

 

 

৭. বাঁশখালী ইকোপার্কঃ

চট্টগ্রাম শহর হতে ৬০ কিঃমিঃ দক্ষিণ পশ্চিমে বাঁশখালী উপজেলার জলদী বন বিটের আওতাধীন সংরক্ষিত বনাঞ্চলের বামেরছড়া ও ডানেরছড়া নামক স্থানে ইকোপার্কটি অবস্থিত। ১২০০ হেক্টর জমি নিযে গঠিত পাহাড়, বন ও হ্রদ এর সমন্বয়ে বাঁশখালী ইকোপার্ক ভ্রমন পিপাসু পর্যটকদের জন্য একটি আদর্শ স্থান। শীত মৌসুমে হ্রদ সমূহে বিভিন্ন প্রজাতির প্রচুর অতিথি পাখির আগমন ঘটে। দুর-দুরান্ত থেকে বিপুল সংখ্যক পর্যটক প্রতিদিন এ এলাকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য উপভোগ করতে আসে।

 

সীতাকুন্ডঃ

ক) ঐতিহাসিক, প্রত্নতাত্ত্বিক ও স্থাপত্য নিদর্শনঃ

১. হিন্দু তীর্থ স্থানঃ

সীতাকুন্ডের চন্দ্রনাথ পাহাড়ে রয়েছে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বেশ কয়েকটি মন্দির। প্রতি বছর দেশ ও দেশের বাইরে থেকে প্রচুর হিন্দু তীর্থ যাত্রী এখানে আসে পূজোর জন্য।

 

২. চন্দ্রনাথ মন্দিরঃ

সীতাকুন্ডের চন্দ্রনাথ পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত চন্দ্রনাথ মন্দির। এটি হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের একটি প্রসিদ্ধ স্থান। প্রতি বছর পূজার সময় দেশ -বিদেশ থেকে প্রচুর হিন্দু তীর্থযাত্রী এই মন্দিরে পূজো দিতে আসে।

 

খ) বিনোদনমূলকঃ

১. জীব বৈচিত্র্য সম্পন্ন ইকো পার্কঃ

দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম ইকো পার্ক এই সীতাকুন্ডে অবস্থিত। বিভিন্ন প্রজাতির জীব বৈচিত্র্যে ভরপুর এই ইকোপার্ক।

 

২. বোটানিক্যাল গার্ডেনঃ

বন বিভাগের তত্বাবধানে সীতাকুন্ডে একটি বোটানিক্যাল গার্ডেন গড়ে তোলা হয়েছে। বিচিত্র ও বিলুপ্ত প্রায় বিভিন্ন রকমের গাছ এবং নানা রকমের বাহারী ফুলের সমারোহ এই বোটানিক্যাল গার্ডেনে।

 

গ) প্রাকৃতিকঃ

১. পাহাড়,বনভূমিঃ

সমস্ত সীতাকুন্ড উপজেলা জুড়ে পাহাড় ও বনভূমির অবস্থান।

 

২. সমূদ্রঃ

সীতাকুন্ডে রয়েছে বঙ্গোপসাগরের সৌন্দর্য ঘেঁষা সমূদ্র সৈকত।

 

৩. গিরি পর্বতঃ

পাহাড় ঘেরা সীতাকুন্ডে রয়েছে অসংখ্য গিরি পর্বত।

 

সন্দীপঃ

ক) প্রাকৃতিকঃ

১. বনভূমী পর্যটন কেন্দ্রঃ

চট্টগ্রামের সদরঘাট থেকে প্রতিদিন সকাল ৯টায় স্টিমার ছাড়ে সন্দ্বীপের উদ্দেশ্যে। এছাড়া সীতাকুন্ডের কুমিরা থেকে লঞ্চে সন্দ্বীপে যাওয়া যায়। রাত্রি যাপন করার জন্য সন্দ্বীপে আবাসিক হোটেল রয়েছে। এখানে রয়েছে সবুজ বন-বনানী, সমূদ্র আর পাখির ঝাঁক। এখানকার পরিবেশ নির্জন নিরিবিলি। মুসা খাঁ মসজিদ এই সন্দ্বীপে।


Share with :

Facebook Facebook