বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০

পিরোজপুর জেলা

ক) ঐতিহাসিক প্রত্নতাত্বিক ও স্থাপত্য

 

পর্যটন আকর্ষণের নাম ও বর্ণনা

 

১. রুদ্রনারায়ন রায়ের রাজবাড়ি :

পিরোজপুর শহর থেকে দেড় মাইল উত্তর-পূর্বে রায়েরকাঠিতে বার ভূঁইয়াদের আমলে রাজা রুদ্রনারায়ন রায় গড়ে তোলেন রাজবাড়ি। সেই রাজবাড়ি এখনও আছে। তবে অধিকাংশ দালানকৌঠা ধবংশ হয়ে গেছে। রায়েরকাঠিতে একদা নির্মিত হয়েছিল রাজভবন, নহবতখানা, অতিথিশালা, নাট্যশালা এবং অনেকগুলো মন্দির। এখানে দু’শ বছর আগেও ছিল প্রায় দুশত অট্টালিকা। আজ এর অধিকাংশ ধ্বংস হয়ে গেছে। একদা রায়েরকাঠিতে বসত শিবমেলা। যাত্রা, নাটক, জারিসারি এবং গানের আসর বসত। ধর্মীয় অনুষ্ঠানও উৎযাপন হতো।

 

২. পুরোনো কুঠিবাড়ী :

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় দু’শ বছরের পুরোনো ঐতিহ্যবাহী কুঠিবাড়ী। এর চারিদিকে এখন গড়ে উঠেছে আগাছা ও জঙ্গল। দেয়ালের বিভিন্ন স্থানে অজস্র ফাটল।

 

খ) ধর্মীয়

 

পর্যটন আকর্ষণের নাম ও বর্ণনা

 

১. মোমিন মসজিদ :

পিরোজপুর জেলার আকর্ষণীয় ও বেড়ানোর জায়গা “মোমিন মসজিদ”। ঢাকা থেকে মঠবাড়ি অথবা পাথরঘাটার সড়কপথে তুষখালী সেখান থেকে রিক্সায় কিছুটা পাকা রাস্তা তারপর আঁকাবাঁকা সরু একটি পথ ধরে দুপাশের বিস্তীর্ণ মাঠ পেরিয়ে পিরোজপুর জেলার মঠবাড়ী উপজেলার পোনা নদীর পারে উদয়তারা বুড়িরচর গ্রামে পৌছাতে আধাঘন্টা সময় লাগে। এ গ্রামে বিগত শতকের গোড়ার দিকে তৈরী একটি ছোট মসজিদ রয়েছে। মসজিদটির বৈশিষ্ট্য হলো এটি কাঠের তৈরী। কাঠের উপর রয়েছে পটুয়ালিপি ও বিবিধ রূপচিহ্নের কারুকাজ। কাঠের দরজাগুলোও কারুকাজ করা। বাংলাদেশে এধরনের দ্বিতীয় মসজিদ আর নেই। মসজিদটির নির্মাতা মৌলভী মমিন উদ্দিন আখন্দ-বর্তমানে মৃত। তাঁর সুযোগ্য উত্তরাধিকারীগণ এর দেখাশোনা করছেন। এদেরই একজন আমেরিকা প্রবাসী নিউরোসাইনটিষ্ট ডঃ শহীদুল্লাহ। বর্তমানে এ মসজিদ একটি সংরক্ষিত পূরাকীর্তি।


Share with :

Facebook Facebook