বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ৮ সেপ্টেম্বর ২০২০

শেরপুর জেলা

ক) ঐতিহাসিক, প্রত্নতাত্ত্বিক ও স্থাপত্যঃ পর্যটন আকর্ষণঃ

১. নালিতাবাড়ি ঐতিহাসিক দূর্গ প্রাচীরঃ
শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ি একটি আকর্ষণীয় জায়গা। ১৯৪৩ সালে শেরপুরের নালিতা বাড়িতে ৩ দিন ব্যাপী ঐতিহাসিক ৬ষ্ঠ প্রাদেশিক কৃষক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনের পর কৃষক বিদ্রোহ আরও তীব্র আকার ধারণ করে। এসব বিদ্রোহীদের নেতৃত্বে ছিলেন শেরপুরের বিপ্লবী কমিউনিষ্ট নেতা রবি নিয়োগী ও তাঁর স্ত্রী জোৎস্না নিয়োগী নালিতা বাড়ির জলধর চন্দ্র পাল ও সচীরায়। বিদ্রোহীরা এলাকায় গণবাহিনী গড়ে তোলে এবং নালিতা বাড়ি পাহাড়ে অস্ত্রাগার তৈরি করে।


২. নালিতা বাড়ি সন্যাসী ভিটাঃ
শেরপুর জেলার সামান্য পশ্চিমে নালিতা বাড়ি সন্যাসী ভিটা আছে।

৪. নয় আনি জমিদার বাড়িঃ
পৌর ভবনের সন্নিকটে প্রাচীন কারুকার্যে খচিত নয় আনি জমিদার বাড়ির কীর্র্তি। পৌরসভার প্রথম চেয়ারম্যান নয় আনি জমিদার হর চন্দ্র চৌধুরী। তিনি সংস্কৃত, বাংলা, আরবী ও ইংরেজী ভাষায় সুপন্ডিত
ছিলেন।

খ) ধর্মীয়ঃ পর্যটন আকর্ষণঃ

১. বারো দুয়ারি মসজিদঃ
ঝিনাইগাতী উপজেলাধীন গড়জরিপার ঐতিহাসিক বার দুয়ারী মসজিদ আছে। গড়জরিপার বার দুয়ারী মসজিদ একটি প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন। এর কারুকার্য খুবই আকর্ষণীয়।


২. হযরত শাহ কামাল (র) মাজারঃ
শেরপুর শহরের পশ্চিমে হযরত শাহ কামাল (রহঃ) এর মাজার অবস্থিত। 

গ) বিনোদনমূলকঃ পর্যটন আকর্ষণঃ

১. গজনী অবকাশ পর্যটন কেন্দ্র ও পিকনিক স্পটঃ
পাহাড়ের পাদদেশে ঝিনাইগাতী উপজেলার কাংশা ইউনিয়নের গজনী নামক পাহাড়কে কেন্দ্র করে প্রাকৃতিক সৌন্দয্যের নীলাভূমি ‘গজনী অবকাশ কেন্দ্র ও পিকনিক স্পট’ গড়ে তোলা হয়েছে। গড়জরিপর ঐতিহাসিক দূর্গ প্রাচীর ও বার দুয়ারী মসজিদ দেখার মত। পরিখায় নৌ-বিহারের সুযোগ রয়েছে। গজনী পাহাড়ের নীচে এক মহীরুহ অভ্যাগতদের স্বাগতম জানায়। পাহাড়ের চূড়ায় আছে বিশ্রামাগার। 

 

ঘ) প্রাকৃতিকঃ পর্যটন আকর্ষণঃ
 

মধুটিলা ইকোপার্কঃ
শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলার গারো পাহাড়ের মধুটিলা ফরেষ্ট রেঞ্জের ৩৮৪ একর বনভূমি জুড়ে এই ইকোপার্কটি অবস্থিত। নালিতাবাড়ী উপজেলার পোড়াগাঁও ইউনিয়নের ভারত সীমানার কোলঘেঁষে সমুচ্চ মৌজায় প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অনন্য লীলাভূমি মধূটিলা ফরেষ্ট রেঞ্জ। এখানের প্রাকৃতিক ও কৃত্রিম বিভিন্ন প্রজাতির গাছগাছালির ছায়াডাকা, পাখিডাকা নয়নাভিরাম সৌন্দর্য পর্যটকদের মুগ্ধ করে। ইকোপার্কজুড়ে রয়েছে কুমির, বাঘ, হরিণ, সিংহ, মৎস্য কুমারী, সাপ, ব্যাঙসহ নানা ভাষ্কর্য। রয়েছে সাইটভিউ টাওয়ার, লেক, প্যাডেল বোট, ষ্টার ব্রিজ, শিশুপার্কসহ নানা স্থাপনা।


Share with :

Facebook Facebook